উমনপুর পাঞ্জেগানা মসজিদ
তথ্য হালনাগদ এর কাজ চলমান ...
পাঞ্জেগানা মসজিদ এমন মসজিদকে বলা হয় যেখানে জুমার নামাজ ব্যতীত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করা হয়। এ ধরনের মসজিদে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় না।
উমনপুর গ্রামের ইতিহাস, সংস্কৃতি, জনগোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
তথ্য হালনাগদ এর কাজ চলমান ...
পাঞ্জেগানা মসজিদ এমন মসজিদকে বলা হয় যেখানে জুমার নামাজ ব্যতীত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করা হয়। এ ধরনের মসজিদে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় না।
আনুমানিক ১৭০০ শতকের শেষের দিকে গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্দ্যেগে গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন প্রতিষ্ঠান উমনপুর জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠার পর প্রথম দিকে ইট সুরকীর ডালাই দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। সর্বশেষ ২০১২ সালের দিকে পুরাতন মসজিদ ভেঙ্গে ৪র্থ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বর্তমান দৃষ্টিনন্দন প্রথম তলা মসজিদ নির্মাণ করা হয়। যার অর্থ গ্রামের ধর্ম প্রাণ মুসল্লি, দানশীল ব্যাক্তি বর্গ ও গ্রামের ফান্ডের অর্থের মাধ্যমে নির্মিত হয় উমনপুর জামে মসজিদ। এছাড়াও মসজিদে একটি আত্যাধুনিক ওয়াশ ব্লক আছে। যার অর্থ গ্রামের ফান্ড ও গ্রামের ধর্ম প্রাণ মুসল্লিদের অর্থায়নে নির্মিত হয়।
১৯৮৫ সালের পরে নিম্ন লিখিত ব্যাক্তি বর্গ উমনপুর জামে মসজিদের জমি দান করেছিলেন- (১)আজিজুর রহমান (২) সালামত উল্লাহ (৩) চান্দ মিয়া (৪) জামাল আব্দুন নাছের (৫) হাফিজ উমর আলী (৬) আজির উদ্দিন ও (৭) রফিক আহমদ।
মসজিদ নির্মাণ কমিটিঃ
১। মোঃ ফয়েজ উল্যাহ পিতা মোঃ হাবিবুর রহমান।
২। মোঃ আব্দুল হান্নান পিতা মোঃ মছদ্দর আলী।
৩। মাহমুদ হোসেইন রব্বানী পিতা আলহাজ্ব ইছা মিয়া।
৪। মোঃ মন্তাজ আলী পিতা মোঃ মছদ্দর আলী।
৫। মোঃ খয়রুল ইসলাম পিতাঃ আলহাজ্ব ইউসুফ আলী।
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষার জন্য চাই আদর্শ বিদ্যাপীঠ। এক সময় শিক্ষা ছিল মক্তব/ টোল ভিত্তিক। শিক্ষার্থী সেই সময় মক্তব/ টোল থেকেই গুরুর কাছ থেকে শিক্ষা লাভ করত। আদর্শ বিদ্যালয় এক-একটি টোল বিশেষ। এমনই একটি মহান টোল উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
ইতিহাস ও ঐতিহ্যঃ উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জৈন্তাপুর উপজেলার ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের উমনপুর গ্রামের এক অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইহা ২০০০খ্রিঃ স্থাপিত হয়। স্থায়ী রেজিঃ-১১/০৮/২০১১খ্রিঃ এবং স্থায়ী জাতীয় করন-০৬/১০/২০১৩খ্রিঃ। যাত্রারম্ভে ইহা একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ছিল কিন্তু প্রবর্তীকালে সরকারি বিদ্যালয় পরিণত হয়। উমনপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে স্কুলের জমি ক্রয় ও স্কুল নির্মাণ হয় এবং গ্রামের অর্থায়নে শিক্ষকদের বেতন, বাতা প্রধান করা হয়। তৎকালীন এমপি জনাব ইমরান আহমদ উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শুভ উদ্বোধন করেন। পরবর্তিতে উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ হয়। জাতীয়করণ পর বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ হয়।
সভাপতিগনের তালিকা ও কার্যকালঃ
১) জনাব আব্দুল মতিন মাষ্টার, পিতাঃ মছদ্দর আলী, মেয়াদ- ১৬/০৭/২০০০খ্রিঃ – ৩১/০৭/২০০২খ্রিঃ
২) জনাব ফয়জুর রহমান চৌধুরী, পিতাঃ মাহমুদ আলী, মেয়াদ- ০১/০১/২০০৩ – ০৬/০২//২০১০খ্রিঃ
৩) জনাব ফয়েজ উল্লাহ, পিতাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান মেয়াদ- ০৬/০২/২০১০খ্রি – ৩১/১২/২০১২খ্রিঃ
৪) জনাব আব্দুল মোমেন(মুতলিব), পিতা জায়ফর আলী, মেয়াদ- ০১/০১/২০১৩খ্রিঃ – ---/---/২০২৩খ্রিঃ।
৫০ জনাব মন্তাজ আলী, পিতা -------------, মেয়াদ- ----/---/২০২৩খ্রিঃ - বর্তমান।
আবস্থানঃ উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে গ্রামের মধ্যখানে এক সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে আবস্থিত। বিদ্যালয়ের পাশদিয়ে এশিয়ান হাইওয়ে চলেগেছে।
অবকাঠামোঃ উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় যাত্রালগ্নে টিনসেটের ঘর তৈরি করা হলেও ২০২০ - ২০২১খ্রীঃ অর্থ বছরে দুতলা বভনে প্রথম তলা নির্মাণ করা হয়। বভনের মধ্যে পাঁচটি শ্রেনী কক্ষ ও একটি অফিস কক্ষ রয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্যে স্বাস্থ্য সম্মত অত্যাধুনিক একটি ওয়াশ ব্লক রয়েছে।
সহপাঠ ক্রমিক কার্যাবলীঃ প্রতিদিন যতা সময়ে সমাবেশের মধ্য দিয়েই স্কুল আরম্ভ হয়। সমাবেশে শিক্ষকরা বিভিন্ন বিষয়ের উপর বক্তৃতা দিয়ে থাকেন। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে নানারকম সামাজিক এবং ধার্মিক উৎসবে, বিশেষ বিশেষ দিবস খুব গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়। তাছাড়া বার্ষীক কীড়া প্রতিযোগিতা এবং মৌসুমি সকল খেলায় শিক্ষার্থীর অংশগ্রহন করে কৃতিত্বের সাথে সফলতা ও সুনাম অর্জন করে।
ফলাফলঃ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা সকল পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত সফলতা লাভ করে।
উপসংহারে বলা যায় যে উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পারস্পরিক সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে সকল বিষয়ে আনন্দের সাথে শিক্ষা অর্জন করে থাকে। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে লেখাপড়া করে কর্মক্ষেত্রে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছে। পরিশেষে বলা যায় উমনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি আদর্শ বিদ্যালয়।
মাদ্রাসা শব্দের অর্থ ইসলামিক জ্ঞান অর্জনের শিক্ষালয়। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে কুরআন, হাদিস ও ইসলামের বিভিন্ন বিষয় শিক্ষা দেওয়া হয়। ইসলামী আদর্শ ও নীতির আলোকে শিক্ষার্থীদের গঠন করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে মাদ্রাসাগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়।
বর্ণনা:
সকল শিক্ষার পূর্বে ধর্মীয় শিক্ষা অপরিহার্য। এই বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে উমনপুর গ্রামবাসী একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এই মহতী উদ্যোগে সাড়া দিয়ে মাদ্রাসার জন্য জমি দান করেন মোছাঃ মাহমুদা খাতুন (পিতা: আব্দুল বারী, স্বামী: আলহাজ মোছা মিয়া)। তিনি ------ শতক জমি দান করেন।
জামেয়া মাহমুদিয়া মাযহারুল উলুম উমনপুর মাদ্রাসা জৈন্তাপুর উপজেলার ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের উমনপুর গ্রামের অন্যতম ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ০৪/০৪/১৮২৯ হিজরী, ২৯/১২/১৪১৪ বঙ্গাব্দ, ১১/০৮/২০০৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে মাদ্রাসায় নিম্নলিখিত বিভাগে পাঠদান করা হয়:
১) মক্তব চাহারম
২) মক্তব ছুওম
৩) মক্তব দুওম
৪) নূরানী প্রথম
৫) নূরানী শিশু
৬) হিফজ শাখা
মাদ্রাসার দ্বিতল ভবন, ছয়টি কক্ষ ও ওজুখানা রয়েছে। এছাড়াও মাদ্রাসার একটি বৃহৎ খেলার মাঠ রয়েছে, যা অত্যন্ত পরিকল্পিত ও সুসজ্জিত।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সংখ্যা:
বর্তমানে মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ ও সহকারী শিক্ষকসহ মোট ৭ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১২০ জন। মাদ্রাসার শিক্ষকগণ সবাই উচ্চশিক্ষিত ও ধর্মীয় শিক্ষায় পারদর্শী। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-দীক্ষার পাশাপাশি তাদের চরিত্র গঠন, আদব-কায়দা শেখানোর বিষয়ে শিক্ষকগণ অত্যন্ত যত্নশীল।
সহপাঠ কার্যক্রম:
লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য মাদ্রাসার শিক্ষকগণ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এখানে নিয়মিত ইসলামিক নিয়ম-নীতিমালার চর্চা হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতি বছর বার্ষিক জলসাকে কেন্দ্র করে শিশু শিক্ষা প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়।
শিক্ষকগণের নাম:
১) হযরত মাওলানা ফোরক্বান আলী কাসেমী (মুহতামিম)
২) হযরত মাওলানা তাজ উদ্দিন
৩) হযরত মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন
৪) হযরত মাওলানা মিসবাহ উদ্দিন সুমন
৫) হযরত মাওলানা কাওছার আহমদ (দুলু)
৬) হযরত মাওলানা রুহুল আমিন
৭) হাফিজ মাওলানা নুমানুল হক
এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোমলমতি শিশুরা অত্যন্ত আনন্দ ও আগ্রহের সাথে ইসলামিক শিক্ষা অর্জন করছে। মাদ্রাসাটি ক্রমেই শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার উন্নয়ন ও মাদ্রাসার অগ্রগতির জন্য গ্রামবাসী ও সকল মুসল্লির সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।
আইটির পূর্ণ নাম হল ইনফরমেশন টেকনোলজি। ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি) হল কম্পিউটার বা অন্য কোন সংস্থার/ গ্রামের প্রসঙ্গে ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, ট্রান্সমিট এবং ম্যানিপুলেশন। আইটি তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি একটি উপসেট। এটি আধুনিক সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি যোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং বিনোদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
শুভজাত্রাঃ উমনপুর গ্রামের একটি ওয়েবসাইট শুরু করার জন্য তরুন উদীয়মান আইটি বিষয়ে অভিজ্ঞ সায়েম আহমদ তার উপস্থাপনায় গ্রামের বৈঠকে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার শুরু করার সিদ্ধান্ত আনুমোদিত ও গৃহীত হয়। উমনপুর গ্রামের আইটি সমুদয় বিষয় তদারকি, দেখভাল ও নিয়ত্রন করার জন্যে নিম্নলিখিত সদস্যদের নিয়ে সর্ব প্রথম উমনপুর আইটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। আইটি উপদেষ্টা মণ্ডলীগণ হলেন – মোঃ আব্দুল মোমেন, মোঃ মইনুল হোসেইন, মোঃ জালাল উদ্দিন, উসমান আলী, মোঃ মন্তাজ আলী, মোঃ সেলিম আহমদ, মোঃ খয়রুল ইসলাম, ফারুক আহমদ, মোঃ আহমেদ রহমান ও খালেদ আহমদ। এছাড়া উমনপুর আইটি পরিচালনা করার জন্যে আইটি পরিচালনা কমিটিও গঠন করা হয়। উপদেষ্টা, পরিচালনা ও গ্রামবাসীর মাধ্যমে উমনপুর গ্রামের অফিসিয়াল ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের আনুষ্টানিক ভাবে শুভযাত্রা হয় ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ। আইটি বিষয়ে অভিজ্ঞ তরুণ সায়েম আহমদ তার মুখ্য ভূমিকায় উমনপুর আইটি পরিচালিত হচ্ছে।
গুগলে উমনপুরঃ উমনপুর গ্রামে গুগল ম্যাপে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, স্থাপনা, রাস্তা, বাগান সহ যাবতীয় তথ্য সংযোক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হইলে দেখাযায় যে ইতিপুর্বে মোঃ হেলাল উদ্দীন পিতাঃ মোঃ জহির উদ্দীন ও সায়েম আহমদ পিতাঃ মোঃ ইদ্রিস আলী গুগল ম্যাপে গ্রামের নাম, সীমানা, জামে মসজিদ, বাস স্টপ সহ গ্রামের রাস্তা, দোকান, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, দুলভ বিল, ফিশারি, জলাশয়, পোল্ট্রি ফার্ম ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মত উল্ল্যেখিত বিষয়গুলি সংযুক্ত করে রেখেছেন। এছাড়াও গুগল ইমেইল একাউন্ট এবং ভিডিও প্লাটফর্মের জন্যে ইউটিউবে এর জাত্রা শুরু হয়।
ওয়েবসাইটে উমনপুরঃ উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শমত উমনপুর গ্রামের পরিপূর্ণ ওয়েবসাইট তৈরী করার জন্যে সায়েম আহমদ পিতাঃ ইদ্রিস আলী ওয়েবসাইটের ১ম ভার্সন ২০২১ইং, দ্বিতীয় ভার্সন ২০২২ইং ও তৃতীয় ভার্সন ২০২৩ইং নির্মাণ করেন। সকলের পরামর্শ মোতাবেক ওয়েবসাইটের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে।
ফেইসবুকে উমনপুরঃ বর্তমান সময়ে অন্যতম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে উমনপুর গ্রামের ফেইসবুক গ্রুপ, ফেইসবুক পেইজ, উমনপুর একাদশ ক্রীড়া সংস্থ্যা পেইজ, উমনপুর একাদশ ক্রীড়া সংস্থ্যা গ্রুপ, উমনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পেইজ, মাহমুদিয়া মাযহারুল উলুম উমনপুর মাদ্রাসা পেইজ, ও চিকনাগুল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পেইজ, নামে তৈরী করে প্রচারণা ও গ্রামের স্তির চিত্র ও ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে উমনপুর গ্রামকে প্রদর্শন করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা মন্দলীঃ ২০২১ইং সালে ১০জন সদস্য নিয়ে উমনপুর আইটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়। উপদেষ্টা মণ্ডলীগণ হলেন – মোঃ আব্দুল মোমেন, মোঃ মইনুল হোসেইন, মোঃ জালাল উদ্দিন, উসমান আলী, মোঃ মন্তাজ আলী, মোঃ সেলিম আহমদ, মোঃ খয়রুল ইসলাম, ফারুক আহমদ, মোঃ আহমেদ রহমান, খালেদ আহমদ।
উমনপুর আইটি পরিচালনা প্রিষদঃ সর্বপ্রথম ২০২১ইং সনে ১৪জন সদস্য নিয়ে উমনপুর আইটি পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। তাদের নাম দেওয়া হল – মোঃ আনোয়ার মাসুম, তাহির আলী আনসারী, সায়েম আহমদ, মাওলানা আব্দুর রহিম, আফজল আহমদ, নাসির আহমদ, নেওয়াজুর রাহমান, কবির আহমদ, আশিক আহমদ, জাহেদ আহমদ, জামান আহমদ, মন্তাজ আহমদ, মুক্তার আহমদ ও আক্তারুজ্জামান আশরাফ। পরিচালনা কমিটিতে কিছু আভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে পূর্বে ঘোষিত ২০২১ইং সনের পরিচালনা কমিটির কার্যক্রম ২০২২ইং সনে স্থগিত রাখা হয়। স্থগিতের পর থেকে সায়েম আহমদ সকল উপদেষ্টাকে নিয়ে উমনপুর আইটি পরিচালনায় প্রধান ভূমিকার পালন করেন। পরবর্তিতে ২০২৪ইং সনে এসে প্রধান কোষাধক্ষ্য কায়েছুল ইসলাম ও সহকারী দুইজন নেওয়াজুর রহমান ও শাদমান শাকিব এই তিনজনকে কোশাধক্ষ্য পদে যুক্ত করা হয়। ২০২৫ইং সনে এসে পুনরায় উমনপুর আইটি পরিচালনা পরিষদ পুনর্গঠন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
সফটওয়্যার ভার্শনঃ উমনপুর আইটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনটি ধাপে প্রথম ভার্সন ২০২১ইং, দ্বিতীয় ভার্সন ২০২২ইং, এবং তৃতীয় ভার্শন ২০২৩ইং সর্বমোট তিনটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ভার্সন প্রাকাশীত হয়।
ওয়েবসাইট একটি গ্রামের/ আঞ্চলের চলমান প্রতিশ্চবি এটি গ্রাম তথা অঞ্চলের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও উন্নয়নের মুখ্যভূমিকা পালন করে।
প্রবাসী
শিক্ষিত
নিরক্ষর
চলতি বছরে জন্মের হার
গ্রামের উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিবর্গ
গ্রামের ডিজিটাল রূপান্তরে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ