এই বিভাগের সকল পোস্ট
"ঈদ মোবারক" আমাদের জীবনে একটি বিশেষ দিন ঈদ, যেখানে আমরা আনন্দ ও উৎসাহের সাথে আল্লাহর নির্দেশনা পালন করি। এই দিনটি শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সব সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য একত্র হওয়ার এবং ভালোবাসা ও শান্তির বার্তা পৌঁছানোর সময়। ঈদ আমাদের মাঝে সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে এই বিশেষ মুহূর্তগুলো ভাগাভাগি করে, আমরা সত্যিকারের সুখ খুঁজে পাই। শাহ আহমদ আলী শাহী ঈদগাহে চারটি মৌজার মুসল্লিয়ান একত্রিত হয়ে ঈদের জামাত সকাল ৮ঃ৩০ মিনিটে আদায় করেন। চার মৌজা হচ্ছে উমনপুর, শিখার খাঁ, হরিপুর ও বালিপাড়া। এই চার মৌজা মিলে প্রতিবছর শাহ আহমদ আলী শাহী ঈদগাহে ঈদের জামাতের আয়োজন করেন এবং ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫ সালে শাহ আহমদ আলী শাহী ঈদগাহে ঈদের জামাতের ঈমাম ছিলেন মাওলানা আব্দুল কাদির বাগের খালী। ঈদের জামাত শেষে শাহ আহমদ আলী শাহী ঈদগাহের দীর্ঘদিনের ইমাম ও খতীব ছিলেন মরহুম মাওলানা ইউসুফ (পাটোয়া) সাহেবকে আত্মার মাগফিরাতের জন্যে সবাই প্রার্থনা করেন এবং অত্র এলাকার সকল মুর্দেগানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। পরিশেষে, ঈদ সকলের জীবনে আনন্দ, সুখ ও শান্তির বার্তা নিয়ে আসুক। ঈদ মোবারক!
বিস্তারিতউমনপুর জামে মসজিদের পুকুরের মাছের নিলাম অনুষ্ঠিত হয় ১০ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে, যোহরের নামাজের পর। নিলামে গ্রামের মুরব্বি ও ছোটবড় সবাই উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন। নিলামের সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তির কাছে মাছগুলো বিক্রি করা হয়। মাছ নিলামের সর্বমোট বিক্রয়মূল্য ৪১,৩৩০ টাকা হয়েছে।
বিস্তারিতবর্ষাকালের অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে আমাদের গ্রামের হাওরাঞ্চল পানিতে ভরপুর ছিলো। গ্রামের অনেকের জন্য এটি আশির্বাদ স্বরুপ হলেও আবার অনেকের জন্য ছিলো এক বিভীষিকার নাম। বিশেষ করে মৎস্যজীবি মানুষের জন্য এটি আশির্বাদ হয়ে এসেছিলো। আর যারা হাওরে ধান চাষ করেছিলেন তাদের ধান ক্ষেত পানির অতলে চলে গিয়েছিলো। আমরা কয়েকজন একটা নৌকা নিয়ে গেছিলাম হাওর সংলগ্ন কাঠলবাড়ীর দিকে ঘুরার জন্য। দিনটি অনেক সুন্দর ছিলো, আগের স্মৃতিচারণ করে পোস্ট টা দিলাম। আমার সোনার বাংলা........
বিস্তারিতআজ শুক্রবার, জুমার নামাজের পর, উমনপুর পাহাড় মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণ্যমান্য আলেম-ওলামাদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় বয়ান ও নসিয়তের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয় এবং জামায়াতে নামাজ আদায় করা হয়।
বিস্তারিতমরহুম মইনুল হোসেন আয়ানি সাহেবের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। মরহুম মইনুল হোসেন আয়ানি সাহেব উমনপুর আইটি প্যানেলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় উমনপুর আইটি প্ল্যাটফর্ম সু-সংগঠিত ও অনলাইনে দৃশ্যমান হয়েছে। শুধু তাই নয়, উমনপুর গ্রামের প্রতিটি বিষয়ে তাঁর অবদান অপরিসীম। বিশেষ করে, আমরা যেই গ্রামে ছোট থেকে বড় হয়েছি, সেই গ্রামে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবিত থাকা অবস্থায় কিছু না কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করে যেতে পারি—এই প্রতিজ্ঞা করা উচিত। মরহুমের অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।
বিস্তারিতহে আল্লাহ আপনি আমাদের উমনপুর গ্রামের সকল মানুষকে এই পবিত্র শবে বারাআতের উসিলায় আমাদের সবার গুনাহকে মাফ করে দিন। এই পবিত্র শবে বারাআতের উসিলায় উমনপুর গ্রামের সকল কবর বাসিকে কবরের আজাব থেকে মুক্তি দিন। আমীন ইয়া রাব্বুল আলামিন আমাদের দোয়াকে কবুল করুন এবং উমনপুর গ্রামের সকল কবর বাসিকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। শবে বরাত, আরবি ভাষায় 'লাইলাতুল বরাত' (লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান) নামে পরিচিত, ইসলামের একটি পবিত্র রাত। এ রাতটি শাবান মাসের ১৪ তারিখের দিবাগত রাত, যা মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। হাদিসে এসেছে, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন। শবে বরাতে করণীয়: ১. নফল নামাজ আদায়: শবে বরাতে নফল নামাজ পড়া উত্তম। এই রাতে বিশেষ কোনো নির্ধারিত রাকআত বা নিয়ত নেই; অন্যান্য নফল নামাজের মতোই আদায় করতে হবে। ২. কোরআন তিলাওয়াত: শবে বরাতে কোরআন তিলাওয়াত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। এতে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত লাভ হয়। ৩. দোয়া ও ইস্তিগফার: এই রাতে আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং গুনাহ মাফের জন্য ইস্তিগফার করা বিশেষভাবে উল্ল্যেখযোগ্য। হাদিসে এসেছে, আল্লাহ তাআলা এই রাতে তার বান্দাদের গুনাহ মাফ করে দেন। ৪. রোজা রাখা: শবে বরাতের পরদিন রোজা রাখা মুস্তাহাব। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'শাবান মাসের ১৫তম রাত তোমাদের সামনে এসে গেলে, তোমরা সে রাতে নামাজ পড় এবং পরবর্তী দিনে রোজা রাখ।' ৫. কবর জিয়ারত: শবে বরাতে কবর জিয়ারত করা এবং মৃতদের জন্য দোয়া করা বিশেষভাবে উল্ল্যেখযোগ্য। তবে এটি ব্যক্তিগতভাবে, নিরবভাবে করা উচিত; কোনো ধরনের শোরগোল বা অপ্রয়োজনীয় কার্যকলাপ পরিহার করা উচিত। শবে বরাতে বর্জনীয়: অতিরিক্ত খাদ্য প্রস্তুতি: শবে বরাতে বিশেষ কোনো খাদ্য প্রস্তুত করা বা বিতরণ করা ইসলামে নির্ধারিত নয়। এ ধরনের কার্যকলাপ বিদআত হিসেবে বিবেচিত। আতশবাজি ও আলোকসজ্জা: শবে বরাতে আতশবাজি বা অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা করা ইসলামে অনুমোদিত নয়। এ ধরনের কার্যকলাপ অপচয় এবং বিদআত হিসেবে বিবেচিত। শবে বরাতে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত লাভের জন্য নির্ধারিত আমলগুলো পালন করা উচিত এবং অপ্রয়োজনীয় কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকা উচিত।
বিস্তারিতআজ, ২৪ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে, সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের উমনপুর গ্রামে অবস্থিত "উমনপুর পাহাড় মসজিদ"-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অতিথিবৃন্দ: বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. মুহিবুল হোসেন মাদ্রাসাতুল উলুম হরিপুর বাজারের মুহতামিম শায়খ মাওলানা মো. হিলাল আহমদ মুহাদ্দিস মাওলানা মো. আনোয়ারুল হক, হরিপুর বাজার মাদ্রাসা জামেয়া মাহমুদিয়া মাযহারুল উলুম উমনপুর মাদ্রাসার মুহতামিম ইমাম ও খতিব উমনপুর জামে মসজিদ জনাব মো. ফুরকান আলী কাসেমী মসজিদ কমিটির মেম্বার: উমনপুর পাহাড় মসজিদের সভাপতি মো. আব্দুল হান্নান সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মোমেন কোষাধ্যক্ষ মো. উসমান আলী সদস্যগণ: জনাব নুর উদ্দিন, জনাব আব্দুল মান্নান, জনাব মো. জালাল উদ্দিন গ্রামের মুরুব্বিগণ: জনাব মো. আব্দুল লতিফ জনাব মো. নুরুল ইসলাম জনাব মো. আইয়ুব আলী মেম্বার ফারুক আহমদ সহ জনাব আজাদ খান, জনাব ইব্রাহিম আলী, ইঞ্জিনিয়ার কিবরিয়া এবং গ্রামের ছোট-বড় সকলেই উল্লেখ্য, উমনপুর পাহাড় মসজিদ স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। মসজিদের নির্মাণ কাজের মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে আরও সমৃদ্ধি আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উমনপুর পাহাড় মসজিদ নির্মাণে আর্থিক সাহায্যে এগিয়ে আসুন: https://umonpur.info/web-donate/show/18
বিস্তারিতউমনপুর পাহাড় মসজিদের বাহিরের নকশা। উমনপুর পাহাড় মসজিদ তিন তলা বিশিষ্ট নকশায় নির্মিত হবে এবং অতি শীঘ্রই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। মসজিদ কমিটির মেম্বার: উমনপুর পাহাড় মসজিদের সভাপতি মো. আব্দুল হান্নান সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মোমেন কোষাধ্যক্ষ মো. উসমান আলী সদস্যগণ: জনাব নুর উদ্দিন, জনাব আব্দুল মান্নান, জনাব মো. জালাল উদ্দিন উমনপুর পাহাড় মসজিদ স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। মসজিদের নির্মাণ কাজের মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে আরও সমৃদ্ধি আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উমনপুর পাহাড় মসজিদ নির্মাণে আর্থিক সাহায্যে এগিয়ে আসুন: https://umonpur.info/web-donate/show/18
বিস্তারিতউমনপুর জামে মসজিদ (আরবি: مَسْجِد جَامِع‎, ফার্সি: مسجد جامع‎) একটি ইসলামী উপাসনালয়, যা সাধারণত কোনো এলাকার প্রধান মসজিদ হিসেবে পরিচিত। 'জামে' শব্দটি আরবি 'জামি' (جَامِع‎) থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'একত্রিত করা'। মসজিদ, যা আল্লাহর ঘর হিসেবে পরিচিত, মুসলমানদের ইবাদত করার কেন্দ্রস্থল। এখানে মুসল্লিরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জুমার নামাজ, তারাবিহ, ঈদের নামাজসহ বিভিন্ন ইবাদত পালন করেন। মসজিদে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও আত্মশুদ্ধির সুযোগ পাওয়া যায়। মসজিদে ইবাদতের ফজিলত: আল্লাহর সন্তুষ্টি: মসজিদে ইবাদত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম উপায়। হাদিসে এসেছে, 'যে ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে, আল্লাহ তার প্রতি এতটাই আনন্দিত হন, যেমন প্রবাসী ব্যক্তি তার পরিবারে ফিরে এলে তারা তাকে পেয়ে আনন্দিত হয়।' ফেরেশতাদের দোয়া: মসজিদে অবস্থানকারী ব্যক্তির জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে থাকে, তার অজু ভঙ্গ না হওয়া পর্যন্ত ফেরেশতারা এই বলে দোয়া করে: হে আল্লাহ, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ, আপনি তাকে রহম করুন।' মসজিদে ইবাদতের আদব ও শিষ্টাচার: পবিত্রতা রক্ষা: মসজিদে প্রবেশের আগে অজু করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা আবশ্যক। প্রবেশের দোয়া: মসজিদে প্রবেশের সময় 'আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রাহমাতিক' (হে আল্লাহ, আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন) দোয়াটি পড়া সুন্নত। তাহিয়্যাতুল মসজিদ: মসজিদে প্রবেশের পর বসার আগে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ নামাজ আদায় করা সুন্নত। দুনিয়াবি কথা পরিহার: মসজিদে দুনিয়াবি আলোচনা, উচ্চস্বরে কথা বলা বা শোরগোল করা থেকে বিরত থাকা উচিত। মসজিদ আল্লাহর ইবাদতের স্থান, তাই এখানে শুধুমাত্র ইবাদত ও জিকিরে মগ্ন থাকা উচিত। মসজিদে ইবাদতের বহুমুখী ভূমিকা: মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়; এটি ইসলামী জ্ঞানচর্চা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্রস্থল। ইসলামের প্রাথমিক যুগে মসজিদে শিক্ষা, বিচার, পরামর্শ এবং অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। মসজিদে ইবাদত ও সময় কাটানো মুসলমানদের আধ্যাত্মিক উন্নতি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ উপায়। মসজিদের আদব ও শিষ্টাচার মেনে চলা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য।
বিস্তারিত