এই বিভাগের সকল পোস্ট
অদ্য ২৫/০৮/২০২৩ইং বাদ জুম্মা উমনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উমনপুর আইটির পক্ষথেকে অসহায় তিনটি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। উপস্থিত ছিলেন উমনপুর আইটির সদস্য বৃন্দ। আর্থিক সহযোগিতায় মো: মনসুর আলী (সৌদি আরব প্রবাসী)।
বিস্তারিতআজ, পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে, উমনপুর জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। উমনপুর গ্রামের সকল মুসল্লি এই জামাতে অংশগ্রহণ করে একে অপরকে ঈদের শুভেচ্ছা ও আনন্দ বিনিময় করেছেন। উল্লেখ্য, উমনপুর জামে মসজিদ সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের উমনপুর গ্রামে অবস্থিত। এটি স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র, যেখানে নিয়মিত নামাজ, মাহফিল এবং অন্যান্য ধর্মীয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
বিস্তারিতউমনপুর গ্রামবাসী আগামী কাল ঈদের জামাত সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হবে। যদি বৃষ্টি হয় তাহলে উমনপুর জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকলকে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। উমনপুর গ্রামের আইটি'র পক্ষ থেকে সকলকে জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও "ঈদ মোবারক"। ঈদ মানে আনন্দ ও খুশি। মা, বাবা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে চমৎকার একটি ঈদ উৎযাপন হবে এই কামনা করি।
বিস্তারিত
আমাদের গ্রাম
বাংলাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম একটি ডিজিটাল গ্রামই হচ্ছে উমনপুর গ্রাম। তৃতীয় ভার্সন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের যাত্রা শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ইং সালে। তৃতীয় ভার্সন ২০২৩ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বিগত প্রথম ও দ্বিতীয় ভার্সন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার থেকে সম্পুর্ন আলাদা ইউনিক চমৎকার ফিচার যুক্ত করা হয়। ফিচার সমুহ হচ্ছে - লগইন সিস্টেম, পাসওয়ার্ড রিকভারি সিস্টেম, ইউজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এনাইডি সিস্টেম, পেমেন্ট সিস্টেম, দুটি সম্পুর্ণ আলাদা ডোনেশন সিস্টেম ও দাতাগণের তালিকা, পরিসংখ্যান, কন্টাক্ট ফর্ম, ক্যাটাগরি ম্যানেজ ও ক্যাটাগরি ভিত্তিক পোস্ট , গুরুত্বপুর্ণ কুইক লিংক, সহ বছর ভিত্তিক ফটো-গ্যালারী ভিডিও-গ্যালারী সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তৃতীয় ভার্সন অতরাইজেশনে ২০২২ইং সনের ১০ জন সদস্য বিশিষ্ট আইটি উপদেষ্টা মণ্ডলীগণের উল্ল্যেখযোগ্য ভূমিকায় রিলিজ হয়। উমনপুর গ্রামের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারটি গ্রামের উন্নয়ন, তথ্য প্রচার এবং ডিজিটাল সেবার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিস্তারিত
আমাদের গ্রাম
মসজিদের অজুখানা মুসল্লিদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেখানে তারা নামাজের পূর্বে পবিত্রতা অর্জনের জন্য অজু (ওজু) সম্পন্ন করেন। সাধারণত, মসজিদের অজুখানা মসজিদের প্রধান প্রার্থনা কক্ষের বাইরে অবস্থিত থাকে, যাতে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে। অজুখানার নকশা ও সুবিধাসমূহ: পানি সরবরাহ: অজুখানায় পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা সহজে অজু করতে পারেন। বসার ব্যবস্থা: অজুর সময় আরামদায়কভাবে বসার জন্য উপযুক্ত আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পানি নিষ্কাশন: অজুখানায় সঠিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রয়েছে, যাতে পানি জমে না থাকে এবং পিচ্ছিলতার কারণে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। পরিচ্ছন্নতা: অজুখানার নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা করা হয়, যাতে এটি সবসময় ব্যবহার উপযোগী থাকে। অজুখানার নির্মাণে ইসলামী বিধান: ইসলামিক বিদান মেনে মসজিদের নির্ধারিত জায়গায় শুধুমাত্র অজুখানা নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের মূল স্থানের মধ্যে অজুখানা বা টয়লেট নির্মাণ করা হয়নি। তবে, মসজিদের সীমানার বাইরে বা সংলগ্ন স্থানে অজুখানা ও টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে, অজুখানা ও টয়লেট এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে, যাতে মসজিদের পবিত্রতা ও মুসল্লিদের সুবিধা বজায় থাকে। অজুখানার ব্যবহারে করণীয়: পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: অজুখানা ব্যবহারের পর পানি ছিটানো বা নোংরা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পানি অপচয় না করা: অজুর সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। সাবধানতা অবলম্বন: অজুখানায় পিচ্ছিল স্থান এড়াতে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে। মসজিদের অজুখানা মুসল্লিদের ইবাদতের পূর্ব প্রস্তুতির জন্য অপরিহার্য স্থান। পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবহারের নিয়ম মেনে চললে মসজিদের পবিত্রতা রক্ষাহবে। #উমনপুর #Umonpur
বিস্তারিত
আমাদের গ্রাম
মুদি দোকান, যা সাধারণত নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও গৃহস্থালি পণ্য খুচরা বিক্রি করে, বাংলাদেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় একটি অপরিহার্য প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের দোকানে চাল, ডাল, তেল, মসলা, সাবান, শ্যাম্পু, স্টেশনারি সামগ্রী ইত্যাদি পণ্য পাওয়া যায়। মুদি দোকানের পণ্যের তালিকা: উমনপুর গ্রামের মুদি দোকানে সাধারণত নিম্নোক্ত ক্যাটাগরির পণ্যসমূহ পাওয়া যায়: খাদ্যদ্রব্য: চাল: মোটা চাল, চিকন চাল, সুগন্ধি চাল ইত্যাদি। ডাল: মসুর ডাল, মুগ ডাল, ছোলা ইত্যাদি। তেল: সয়াবিন তেল, সরিষার তেল, পাম তেল ইত্যাদি। মসলা: হলুদ, জিরা, ধনিয়া, লবঙ্গ, দারুচিনি ইত্যাদি। অন্যান্য: আটা, ময়দা, চিনি, লবণ, চা পাতা, নুডলস ইত্যাদি। প্রসাধনী ও স্বাস্থ্যসেবা পণ্য: সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, লোশন ইত্যাদি। স্টেশনারি সামগ্রী: খাতা, কলম, পেন্সিল, রাবার, স্কেল ইত্যাদি। বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পণ্য: ডিটারজেন্ট, টয়লেট ক্লিনার, ফ্লোর ক্লিনার ইত্যাদি। শিশুদের পণ্য: চিপস, চকলেট, বিস্কুট, খেলনা ইত্যাদি। মুদি দোকানের পণ্যের তালিকা ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
বিস্তারিত
আমাদের গ্রাম
উমনপুর গ্রামে অবস্থিত হাইওয়ে ফিলিং স্টেশন স্থানীয় ও দূরপাল্লার যানবাহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জ্বালানির কেন্দ্র। এটি মূলত মহাসড়ক সংলগ্ন একটি পেট্রোল পাম্প, যা ট্রাক, বাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনকে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করে। অবস্থান ও গুরুত্ব হাইওয়ে ফিলিং স্টেশনটি সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত, যা এই অঞ্চলের যাত্রী ও চালকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য জ্বালানি কেন্দ্র। এর অবস্থানগত সুবিধার কারণে এটি শুধু স্থানীয় গ্রামবাসীই নয়, বরং দূর-দূরান্ত থেকে আসা গাড়িচালকদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়। প্রদত্ত সেবা ও সুবিধা ✔ পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন সরবরাহ – উন্নত মানের জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভূমিকা 🔹 স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। 🔹 দূরপাল্লার পরিবহন ব্যবস্থায় জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করে। 🔹 ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। উমনপুরের হাইওয়ে ফিলিং স্টেশন শুধু একটি জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র নয়, এটি স্থানীয় ও মহাসড়কের যানবাহন পরিচালনার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এর উন্নত মানের সেবা ও নির্ভরযোগ্যতা একে এলাকার জন্য অপরিহার্য করে তুলেছে।
বিস্তারিত
আমাদের গ্রাম
সুইচ গেট সাধারণত খালের পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা সেচ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং নৌ-চলাচল সহজতর করতে সহায়তা করে। উমনপুর গ্রামের পূর্বাঅঞ্চলে একটি সুইচ গেট রয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের যাতায়াতের সুবিধা এবং সোনালী ধান ফসলে পানি লাগানোর জন্যে নির্মিত হয়েছে। এই খালটি উমনপুর পাহাড়ের পশ্চিম দিক থেকে উৎপন্ন হয়ে গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পূর্ব প্রান্তে কাপনা নদীতে মিলিত হয়েছে। সুইচ গেট সংলগ্ন সেতুগুলো স্থানীয় জনগণের যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি ও সেচ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তবে, এসব অবকাঠামোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে সেগুলো দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর থাকে।
বিস্তারিত
আমাদের গ্রাম
দুলভ বিল মানে উমনপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব। উমনপুর গ্রাম প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা এক মনোমুগ্ধকর স্থান, যেখানে অবস্থিত দুলভ বিল। এই বিল গ্রামবাসীর আয়ের অন্যতম মাধ্যম এবং সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতি বছর এখানে আয়োজিত হয় ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব, যা স্থানীয়দের জন্য এক আনন্দময় মিলনমেলা। দুলভ বিলের পরিচিতি দুলভ বিল উমনপুর গ্রামের চিকনাগুল ইউনিয়নের জৈন্তাপুর উপজেলার সিলেট জেলায় অবস্থিত। দুলভ বিল বর্ষাকালে পানিতে ভরে ওঠে এবং শুষ্ক মৌসুমে ধীরে ধীরে পানি কমতে থাকে। বিলটি মূলত মাছের প্রাচুর্যের জন্য পরিচিত, যা বর্ষাকালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিলটি গ্রামবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রতিবছরে মাছ ধরে। বিলটি গ্রামবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রতিবছরে মাছ ধরে। তবে এই বিলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো বার্ষিক পলো বাওয়া উৎসব। শুষ্ক মৌসুমে বিলের পানি কমে গেলে গ্রামবাসীরা পলো বাওয়া উৎসবের মাধ্যমে মাছ ধরার আয়োজন করে। পলো বাওয়া উৎসব পলো বাওয়া হল গ্রামবাংলার এক পুরোনো ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার রীতি। এই আয়োজনে— ✔ গ্রামবাসীরা বাঁশের তৈরি পলো নিয়ে বিলে নামে। ✔একসঙ্গে শত শত মানুষ আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে মাছ ধরতে নামে। ✔এই বিল শুধুমাত্র মাছ ধরার জন্য নয়, বরং সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করারও একটি উপলক্ষ। উৎসবের সামাজিক গুরুত্ব 🔹 গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 🔹 সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ একত্রিত হয়ে মিলনমেলায় অংশ নেয়। 🔹 প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে। 🔹 স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, কারণ এ সময় অনেকেই মাছ বিক্রি করেন। দুলভ বিলের পলো বাওয়া উৎসব কেবল মাছ ধরার একটি রীতি নয়, এটি উমনপুর গ্রামের মানুষের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মিলনমেলার প্রতীক। যুগ যুগ ধরে এই উৎসব গ্রামীণ সমাজে আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে আসছে, যা ভবিষ্যতেও এই দ্বারা অব্যাহত থাকবে।
বিস্তারিত