উমনপুর একটি আদর্শ গ্রামের নাম
উমনপুর
হোম / সংবাদ / বিভাগ

এইমাত্র পাওয়া খবর

এই বিভাগের সকল পোস্ট

এবারো মেধাবৃত্তি নিয়ে এলো বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী এইমাত্র পাওয়া খবর
21 Jun, 2025

এবারো মেধাবৃত্তি নিয়ে এলো বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী

উমনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই জন শিক্ষার্থী সাদমান ইয়াছির আদিল ও সাবিনা ইয়াছমিন উমর আলী শিক্ষা কল্যাণ ট্রাস্ট মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলভাবে বৃত্তি লাভ করেছে। আজ তারা এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনে প্রধান অতিথির নিকট থেকে সনদপত্র ও পুরস্কার গ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের এই সাফল্যে অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আমরা গর্বিত এমন মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা করছি।

বিস্তারিত
🌙✨ ঈদ মোবারক ✨🌙 এইমাত্র পাওয়া খবর
07 Jun, 2025

🌙✨ ঈদ মোবারক ✨🌙

"ঈদ মোবারক" ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। ঈদ মানে ভালোবাসা, মিলন আর হৃদয়ের বন্ধন। এই দিনটি আমাদের শেখায়—সহানুভূতি, ক্ষমা ও ভ্রাতৃত্বের সৌন্দর্য। আসুন, ঈদের এই পবিত্র দিনে সব বিভেদ ভুলে মিলেমিশে আনন্দ ভাগ করে নেই। ভরে উঠুক প্রতিটি হৃদয় শান্তি, সম্প্রীতি ও ভালোবাসায়। উমনপুর গ্রামের পক্ষ থেকে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 🌸🤝🌙 ঈদ মোবারক!

বিস্তারিত
ঐক্যই শক্তি এইমাত্র পাওয়া খবর
06 Jun, 2025

ঐক্যই শক্তি

আলহামদুলিল্লাহ্‌!!! উমনপুর গ্রামের সামগ্রিক ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ এখন আরও মজবুত, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের সবার জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়। মহান আল্লাহ আমাদের এই ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব চিরস্থায়ী করুন—আমিন। এই সফলতার পেছনে যাদের অবদান সত্যিই অতুলনীয়, তাদের প্রতি উমনপুর গ্রামের পক্ষ থেকে জানাই হৃদয়ের গভীর থেকে লাল গুলাপের শুভেচ্ছা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনারা ছিলেন বলেই আজ আমাদের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। আপনাদের প্রতি আমাদের সম্মান ও ভালোবাসা চিরন্তন। 

বিস্তারিত
মাদ্রাসার হিফয ও মক্তব শাখার তালেবানদের ড্রেস এইমাত্র পাওয়া খবর
29 Apr, 2025

মাদ্রাসার হিফয ও মক্তব শাখার তালেবানদের ড্রেস

উমনপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ফ্রান্স প্রবাসী জনাব মোঃ তোফায়েল আহমেদ (Tufayl Ahmed) এর পক্ষ থেকে জামেয়া মাহমুদিয়া মায্হারুল উলূম উমনপুর মাদ্রাসার হিফয ও মক্তব শাখার তালেবানদের জন্য পাঞ্জাবি উপহার দিয়েছেন।  আলহামদুলিল্লাহ্‌!

বিস্তারিত
ফরয গোসল করার নিয়ম-কানুন কি? কোন্ পদ্ধতিতে ফরয গোসল করতে হয়? এইমাত্র পাওয়া খবর
25 Apr, 2025

ফরয গোসল করার নিয়ম-কানুন কি? কোন্ পদ্ধতিতে ফরয গোসল করতে হয়?

জিজ্ঞাসা: ফরয গোসল করার নিয়ম-কানুন কি? কোন্ পদ্ধতিতে ফরয গোসল করতে হয় এবং মেয়েলোক ও পুরুষের আলাদা কোন পদ্ধতি আছে কি-না? আর গোসলের পর নামায পড়তে পুনঃ উযু করতে হবে কি-না? জবাব: গোসল করার সময় প্রথমে ইস্তিঞ্জা করে নিবে, অতঃপর পবিত্রতা অর্জনের নিয়তে উভয় হাত ধুয়ে নিয়ে শরীর ও কাপড় থেকে নাপাকী দূর করবে। তারপর হাত ভাল করে পরিষ্কার করে নিবে। অতঃপর নামাযের উযুর মত অযু করে নিবে। অযুর সময় ভালভাবে গড়গড়া করবে এবং নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌছাবে। অযু শেষে মাথায় পানি ঢালবে। অতঃপর ডান কাঁধে ও পরে বাম কাঁধে পানি ঢালবে। এভাবে তিনবার সম্পূর্ণ শরীর ভালভাবে ঘষে গোসল শেষ করবে। মেয়েলোক এবং পুরুষ লোকের গোসলের নিয়ম একই। তবে মেয়েলোকের খোপা বাঁধা থাকলে চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছলে তা খোলা জরুরী নয়। কিন্তু পুরুষের চুল সম্পূর্ণ খোলা রাখতে হবে। উপরন্তু মেয়েদের নাক ও কানের অলংকার পরার ছিদ্রে যাতে পানি পৌঁছে তা লক্ষ্য রাখতে হবে। গোসলের পরে নতুন করে উযুর প্রয়োজন নেই। গোসলের সাথে উযু হয়ে যাবে। কেউ কেউ গোসল শেষে আবার উযু করেন, এমন করা অপচয়, হাদিছে অপচয়কারীকে "শয়তানের ভাই" বলা হয়েছে। তাই অপচয় থেকে বেঁচে থাকা জরুরী। [প্রমাণ: ফাতাওয়া দারুল উলুম, ১৪১৪৬ # শামী ১:১১৯) لو تكرر الوضوء في مجلس واحد مرارا لم يستحب الوضوء بل يكره لما فيه من الاسراف - (رد المحتار (۱۱۹/۱) ★সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা★ জিজ্ঞাসা: গোসলখানায় সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা জায়িয আছে কি না? জবাব : যে গোসলখানায় বেপর্দা হওয়ার আশংকা নেই, তথায় একাকী উলঙ্গ অবস্থায় গোসল করা যদিও জায়িয, কিন্তু উলঙ্গ অবস্থায় গোসল না করাই উত্তম। কেননা, এটা তাকওয়ার খেলাফ। হাদীস শরীফে রাসূল (সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্দার সাথে গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন। আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, হুযুর (সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, 'আল্লাহ তা'আলা লজ্জাশীল ও গোপনীয়তা রক্ষাকারী এবং লজ্জা ও গোপনীয়তাকে ভালবাসেন। সুতরাং তোমরা পর্দার সাথে গোসল করো।' [প্রমাণ: শরহে মুনিয়া, ৫১ #ফাতাওয়া আবদুল হাই, ১:১৬৫ #ফাতাওয়া দারুল উলুম, ১ঃ১৪৮ #শরহে কাবীর (হালবী কাবীর)] ★পুরুষাঙ্গ দিয়ে তরল পদার্থ বের হলে তার হুকুম★ জিজ্ঞাসা : উত্তেজনার সহিত পুরুষাঙ্গ হতে যদি লালা জাতীয় কিছু বের হয়ে যায়, তাহলে গোসল করা ফরয হবে কি-না? তা কাপড়ে লাগলে তা নাপাক হবে কি-না? জবাব : উত্তেজনার সময় প্রাথমিক পর্যায়ে পুরুষাঙ্গ হতে লালা জাতীয় যা বের হয়, শরীয়তের পরিভাষায় উহাকে মযী বলে। আর মযী বের হওয়ার দরুন গোসল ফরয হয় না, বরং উযু করতে হয় এবং শরীরের ও কাপড়ের যে অংশে লাগবে ঐ অংশ পাক করা জরুরী। [প্রমাণ: মেশকাত শরীফ, ১:৪০] ★ব্যবহৃত পানির ছিটা বালতিতে পড়লে তার হুকুম★ জিজ্ঞাসাঃ গোসল করার সময় যদি শরীর থেকে পানির ছিটা বালতিতে পড়ে যায় তাহলে ঐ পানি দিয়ে কি গোসল হবে? জবাবঃ গোসলের সময় শরীর থেকে পানির ছিটা বালতিতে পড়লে কোনো সমস্যা নেই। একারণে বালতির পানি নাপাক হয় না। তাই বালতির ওই পানি দিয়ে গোসল করা সহীহ আছে। কারণ, গোসল ফরয অবস্থায় শরীরে বাহ্যিক নাপাকি লেগে না থাকলে শরীরে স্পর্শ করা পানি নাপাক নয়। তা الماء المستعمل তথা ব্যবহৃত পানির অন্তর্ভুক্ত। আর শরীরের ছিটা পানি যেহেতু খুবই সামান্য তাই তা বালতিতে পড়লেও সে পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে কোনো সমস্যা নেই। -মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, বর্ণনা ৭৮৯, ৭৯১; কিতাবুল আছল ১/২০; বাদায়েউস সানায়ে ১/২১১; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৮; শরহুল মুনয়া পৃ. ১৫৩; রদ্দুল মুহতার ১/৩২৫ ★গোসলে অপারগ হলে করণীয়★ জিজ্ঞাসাঃ গোসল ফরয হয়েছে এমন ব্যক্তি অসুস্থতার কারণে গোসল করতে অক্ষম। কিন্তু অযু করতে সক্ষম এবং তার নিকট পর্যাপ্ত পরিমাণ পানিও রয়েছে। জানার বিষয় হলো, উক্ত অবস্থায় কি শুধু তায়াম্মুম করে নামায পড়লেই যথেষ্ট হবে নাকি তায়াম্মুমের সাথে অযুও করতে হবে? জবাবঃ প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে শুধু তায়াম্মুম করে নামায পড়বে, অযু করবে না। তায়াম্মুমের সাথে অযু করার বিধান নেই। উল্লেখ্য, গোসলের জন্য তায়াম্মুম করার পরে ঐ ব্যক্তি থেকে অযু ভঙ্গের কোনো কারণ পাওয়া গেলে তখন অযু করা জরুরি। কেননা সে অযু করতে সক্ষম। খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৩৩, ৩৮; রদ্দুল মুহতার ১/২৫৫; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩০; আলমুহীতুল বুরহানী ১/৩৩০; আলবাহরুর রায়েক ১/১৫২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১/৩৯৪ ★ঘুম থেকে উঠে কাপড় ভেজা পেলে করণীয়★ জিজ্ঞাসাঃ জনৈক ব্যক্তি ঘুম থেকে উঠে কাপড়ে ভিজা বা শক্ত শক্ত অনুভব করেছে। কিন্তু তার স্বপ্নের কথা স্মরণ নেই এবং এটা কি বীর্য না অন্য কিছু তাও বুঝতে পারছে না। আমার প্রশ্ন হল,উল্লেখিত অবস্থায় কি ঐ ব্যক্তির উপর গোসল করা কি ফরয? জবাবঃ ঘুম থেকে উঠে কাপড়ে ভিজা পেলে কিংবা বীর্যের আলামত পেলে স্বপ্নের কথা স্মরণ না হলেও গোসল করা ফরয। সুতরাং প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তির জন্য গোসল করা ফরয। হাদীস শরীফে এসেছে, আম্মাজান আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি ঘুম থেকে উঠার পর ভিজা অনুভব করে, কিন্তু তার স্বপ্নের কথা স্মরণ নেই তার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি উত্তরে বলেন, হ্যাঁ, তাকে গোসল করতে হবে। আর ঐ ব্যক্তি যার স্বপ্নের কথা স্মরণ আছে কিন্তু সে কাপড়ে বা শরীরে কোনো ভিজা পায়নি তার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, না, তার জন্য গোসল করা জরুরি নয়। জামে তিরমিযী, হাদীস : ১১৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৪০; বাদায়েউস সানায়ে ১/১৪৮-১৪৯; মাবসূত, সারাখসী ১/৬৯ উত্তর লিখনেঃ মুফতি আহমাদ বিন উমর ইমাম ও খতীব মিস্তরী জামে মসজিদ, সিলেট।

বিস্তারিত
আজান এল কেমন করে? এইমাত্র পাওয়া খবর
19 Apr, 2025

আজান এল কেমন করে?

আজান ʾআযান শব্দের মূল অর্থ দাড়ায় أَذِنَ ডাকা, আহবান করা। যার মূল উদ্দেশ্য হলো অবগত করানো। এই শব্দের আরেকটি ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হল ʾআজুন। (أُذُن), যার অর্থ হলো "শোনা"। নামাজের জন্য মানুষকে আহ্বান করার একমাত্র মাধ্যম হলো আজান। জামাআতে নামাজ পড়ার জন্য আজান দেয়া সুন্নাত। কেউ কেউ একে ওয়াজিব বা আবশ্যক বলেছেন। আজান ওহী না হলেও কতিপয় সাহাবায়েকেরামের স্বপ্নেপ্রাপ্ত বাক্য। যাই হোক নামাজের জন্য আজান অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আজানই মানুষকে দ্রুত নামাজের জন্য তৈরি হতে উদ্বুদ্ধ করে। ইসলামের প্রাথমিক যুগে পবিত্র নগরী মক্কায় আজান ছাড়াই নামাজ পড়া হতো। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় হিজরত করে মসজিদ নির্মাণ করলেন তখন মুসলমানদের নামাজে অংশগ্রহণের জন্য একত্রিত করতে একটি সুনির্দিষ্ট সংকেত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন এবং সাহাবাদের কাছে পরামর্শ চাইলেন।সাহাবাদের পরামর্শ সাহাবায়েকেরাম নামাজে অংশগ্রহণ একত্রিত হওয়ার জন্য সংকেত ঠিক করতে পরামর্শ সভায় বসলেন। পরামর্শ সভায় ৪টি প্রস্তাব উপস্থাপন হয়। >> ঝাণ্ডা উড়ানো; >> আগুন প্রজ্জ্বলন; >> শিঙ্গা বাজানো; >> ঢোল বাজানো। পরমার্শ সভার ৪টি প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করা হয়। কারণ ঝাণ্ডা উড়ালে সব মানুষ তা বাড়ি বা দূর থেকে দেখতে পাবে না। দ্বিতীয়ত আগুন প্রজ্বলন অগ্নি উপাসকদের কাজ। তৃতীয়ত শিঙ্গা বাজানো খ্রিস্টানদের কাজ আর চতুর্থত ঢোল বাজানো ইয়াহুদিদের কাজ। এ কারণে সেদিন সমাধান ছাড়াই পরামর্শ সভার মূলতবি করা হয়। সাহাবায়েকেরামগণ এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করতে করতেই যার যার বাড়ি চলে গেলেন। ঐ রাতে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ স্বপ্নে দেখেন- ‘এক ব্যক্তি শিঙ্গা নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ঐ ব্যক্তিকে শিঙ্গাটি বিক্রি করতে বললে। শিঙ্গাটি কেনার কারণ জানতে চাইলে আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ বললেন, ‘আমি শিঙ্গাটি দিয়ে মানুষকে নামাজে আসার জন্য আহ্বান করব। ’তখন শিঙ্গার মালিক ব্যক্তি বলল, ‘আমি কি এটি হতে উত্তম একটি জিনিসের সংবাদ দিব না? এ বলে তিনি আজানের বাক্যগুলো তাঁকে শিখিয়ে দিলেন। সকালে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে হাজির হয়ে স্বপ্নের কথাগুলো জানালেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তোমার স্বপ্ন সত্য তুমি বেলালকে আজানের বাক্যগুলো শিখিয়ে দাও আজ থেকে বেলাল আজান দেবে।’ হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদের শেখানো বাক্যগুলো দিয়ে হজরত বেলাল আজান দিলে, তা শুনে হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রিয়নবির দরবারে দৌড়ে এসে বললেন- ‘হে আল্লাহর রাসুল! ঐ সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য রাসুল হিসেবে প্রেরণ করেছেন, অবশ্যই আমি অবিকল এ বাক্যগুলোই স্বপ্নে দেখেছি।’ উল্লেখ্য যে, ঐ রাতে একই স্বপ্ন সাহাবিদের মধ্য থেকে ১৪ জনই দেখেন। যার মাধ্যমে নিয়মিত হজরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু নামাজের জন্য আজান দিতেন। ফজরের আজানের বাড়তি বাক্য ‘আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম’ সম্পর্কে জানা যায় যে-একদিন ফজরের সময় হজরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু আজান দিতে আসলেন, তখন তাকে বলা হলো, প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুমে আছেন। তখন হজরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করলেন-‘আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম অর্থাৎ ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম।’ হজরত সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব বলেছেন, পরে ফজরের আজানের সঙ্গে এ বাক্যটি শমিল করে দেয়া হয়। ’আর এভাবেই সর্বপ্রথম আজানের প্রচলন হয়। আজানের আওয়াজ শুনার সঙ্গে সঙ্গে মুসলমানরা মসজিদে জামাআতে নামাজ আদায়ে একত্রিত হয়। জামাআতে নামাজ আদায়ের জন্য আজান দেয়া সুন্নাত। আবার কেউ কেউ একে ওয়াজিব বলেছেন। তবে আজান দেয়া সুন্নাত বা ওয়াজিব যা-ই হোক না কেন, আজান ইসলামের প্রতীক। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি কারও বিপরীতে অভিযান পরিচালনা করতেন; ঐ সময় তাদের মধ্য থেকে যদি আজানের ধ্বনি আসত তবে তিনি তাদের সঙ্গে অভিযান বন্ধ করে দিতেন এবং বলতেন, তারা মুসলিম।’ আল্লাহ তা্আলা মুসলিম উম্মাহকে আজানের সঙ্গে সঙ্গে জামাআতে নামাজ আদায়ে মসজিদে একত্রিত হওয়ার তাওফিক দান করুন, আমিন। (মাওঃ) মোঃ আব্দুল হালিম দ্বীনি ইসলাম, উমনপুর।  

বিস্তারিত
আজান ও ইকামতে যা বলা হয় এইমাত্র পাওয়া খবর
18 Apr, 2025

আজান ও ইকামতে যা বলা হয়

আযান বা আজান (আরবি: أَذَان আযান্‌) হচ্ছে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য ইসলামি আহ্বান বা ডাকধ্বনি। দিনের নির্ধারিত সময়ে একজন মুয়াজ্জিন আযান পাঠ করেন। ঐতিহ্যগতভাবে মুসলমানদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য দৈনিক পাঁচবার  উচ্চস্বরে আযান দেওয়া হয়। ফরজ নামাজের উদ্দেশ্য মসজিদে প্রবেশের জন্য এটি মুসলিমদের প্রথম ডাকধ্বনি। ইকামত নামে পরিচিত দ্বিতীয় ডাকধ্বনিতে মসজিদে উপস্থিত থাকা লোকেদের নামাজের শুরুর জন্য লাইনে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। প্রতিটি মসজিদে একাধিক উচ্চস্বরে আযানের মূল উদ্দেশ্য হলো সকলের কাছে ইসলামি বিশ্বাসের সহজে বোধগম্য সারসংক্ষেপ উপলব্ধ করানো।    আজানের বাক্যগুলো আল্লাহু আকবার ৪ বার আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ২ বার আশহাদু আন্না মোহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ ২ বার হাইয়া আল্লাস সালাহ ২ বার হাইয়া আলাল ফালাহ ২ বার আবার ‘আল্লাহু আকবার’ ২ বার এবং সবশেষে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ১ বার উচ্চারিত হয়। ফজরের নামাজের আজানে ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’র পর ‘আস সালাতু খাইরুম মিনাননাউম’ অর্থ:  ঘুম অপেক্ষা নামাজ উত্তম’ ২ বার বলা হয়।   আজানের বাংলা অর্থ আল্লাহ মহান আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই’ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল’ নামাজের জন্য আসো কল্যাণের জন্য আসো’ আল্লাহ মহান আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই’   নামাজের ইকামত ফরজ নামাজের আগে ইমামের পেছনে দাঁড়ানোর পর মুয়াজ্জিন আবার আজান দেন। একে ইকামত বলা হয়।   ইকামতের বাক্যগুলো আল্লাহু আকবার, (৪ বার) আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, (২ বার) আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ, (২ বার) হাইয়া আলাস সালাহ,  (২ বার) হাইয়া আলাল ফালাহ (২ বার) কদ কমাতিস সালাহ,  (২বার) আল্লাহু আকবার,  (২ বার) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১ বার)। ফরজ নামাজের ইকামতে পঞ্চম বাক্যের (হাইয়া আলাল ফালাহ) পর বলতে হয় কদ কমাতিস সালাহ,  এর বাংলা অর্থ হচ্ছে ‘জামাত প্রস্তুত’ (২ বার)।   ইসলামে আজানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আজান শুনে আজানের জবাব দেওয়ারও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। আজান শ্রবণকারীরও মৌখিকভাবে আজানের উত্তর দেওয়া সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.)  ইরশাদ করেন, ‘যখন তোমরা আজান শুনবে, এর জবাবে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ তোমরাও বলবে।’ (বুখারি, হাদিস ৬১১) আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি হলো, মুয়াজ্জিন প্রত্যেকটি বাক্য বলে থামার পর শ্রোতা ওই বাক্যটি নিজেও অনুরূপভাবে বলবে। কিন্তু মুয়াজ্জিন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময় শ্রোতা ‘লা হাওলা ওয়া লা কুউওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ’ বলবে এবং ফজরের আযানে "আস্ সালাতু খাইরুম মিনান্ নাউম" বললে শ্রুতা এর জবাবে ‘সাদাকতা ও বারারতা’ পড়বে।। এটাই বিশুদ্ধ অভিমত। (সহিহ মুসলিম, হাদিস ৩৮৫) আজানের মতো মুসল্লিদের একামতের জবাব দেওয়াও মুস্তাহাব। একামতের জবাবও আজানের অনুরূপ। শুধু একামতের মধ্যে ‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’-এর জবাবে’ ‘আক্বামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’ বলবে। হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘একবার হজরত বেলাল (রা.) একামত দিচ্ছিলেন, তখন নবী করিম (সা.)-ও তাঁর সঙ্গে আজানের অনুরূপ উত্তর দিয়েছেন, তবে ‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’ বলার সময় বলেন, ‘আক্বামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’। (আবু দাউদ, হাদিস ৫২৮)  মাওলানা নাজিম উদ্দিন দ্বীনি ইসলাম, উমনপুর।

বিস্তারিত
হিফজ বিভাগ জামেয়া মাহমুদিয়া মায্হারুল উলূম উমনপুর মাদ্রাসা এইমাত্র পাওয়া খবর
15 Apr, 2025

হিফজ বিভাগ জামেয়া মাহমুদিয়া মায্হারুল উলূম উমনপুর মাদ্রাসা

জামেয়া মাহমুদিয়া মায্হারুল উলূম উমনপুর মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের আন্তরিক মোবারকবাদ ও অভিনন্দন। আলহামদুলিল্লাহ্‌, আল্লাহ তা'আলার অশেষ মেহেরবানীতে মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার কার্যক্রম ঠিকমত চলছে। এই শুভলগ্নে আমরা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি এবং একইসাথে এই মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য দোয়া করছি। আল্লাহ পাক যেন তাদের ইলমে দ্বীন হাসিলের পথকে সহজ করে দেন এবং তাদের জীবনকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করেন। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুই এক একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাদের মাঝে লুকায়িত আছে জ্ঞান, মেধা ও প্রতিভার অফুরন্ত সম্ভাবনা। জামেয়া মাহমুদিয়া মায্হারুল উলূম উমনপুর মাদ্রাসা সেই সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে এবং শিক্ষার্থীদের যোগ্য আলেম ও হাফেজ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। আল্লাহপাকের কাছে আমাদের একান্ত কামনা, তিনি যেন প্রতিটি মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ করেন এবং তাদের সন্তানদের হাফিজে কুরআন হিসেবে কবুল করেন। যারা তাদের কলিজার টুকরাদের দ্বীনের পথে উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ যেন তাদের এই ত্যাগ কবুল করেন এবং এর উত্তম প্রতিদান দান করেন। মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ  তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। আসুন, সকলে মিলেমিশে একটি সুন্দর ও জ্ঞানগর্ভ পরিবেশ তৈরি করি, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী দ্বীনের সঠিক জ্ঞান অর্জন করে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। জামেয়া মাহমুদিয়া মায্হারুল উলূম উমনপুর মাদ্রাসা সর্বদা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিয়োজিত থাকবে ইনশাআল্লাহ্‌।

বিস্তারিত
দেশের প্রতিটি মসজিদে একই সময়ে জুম্মার নামাজ আদায়ের নির্দেশ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এইমাত্র পাওয়া খবর
15 Apr, 2025

দেশের প্রতিটি মসজিদে একই সময়ে জুম্মার নামাজ আদায়ের নির্দেশ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

সারাদেশে সকল মসজিদে একই সময় জুমআর নামাজ আদায় প্রসঙ্গে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। জুমআর দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও বরকতময় দিন। মহান আল্লাহ বলেছেন, “হে বিশ্বাসীগণ! জুমআর দিন যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচা-কেনা বর্জন কর। এটাই তোমাদের জন্য অতি উত্তম; যদি তোমরা জানতে।” (সূরা জুমা, আয়াত: ৯)। জুমআর পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাৎ ও আলোচনার দিন। এ দিনে বিশেষ মর্যাদা ও তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার কারণে এর বিশেষ সময়ে বরকত ও কল্যাণ রয়েছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন মসজিদে বিভিন্ন সময়ে জুমআর নামাজ অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। কোনো মসজিদে দুপুর ১:৩০ টায়, কোনো মসজিদে ১:৪৫ টায়, আবার কোনো মসজিদে দুপুর ২:০০ টায় জুমআর নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সময়ের তারতম্যের কারণে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ বিশেষ করে পথচারী (সফররত মুসল্লীগণ) বিভিন্ন ও সমস্যার সম্মুখীন হন। এ সমস্যা দূরীকরণের স্বার্থে সারাদেশে সকল মসজিদের মুসল্লিগণের একই সময়ে দুপুর ১:৩০ টায় জুমআর নামাজ আদায় করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো যাচ্ছে। এমতাবস্থায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা/ইসলামী ব্যক্তিত্ব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মসজিদসহ সকল মসজিদে অভিন্ন সময় দুপুর ১:৩০ টায় জুমআর নামাজ আদায় করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। আ.ব.ম. রিয়াজুল হাসান মহাপরিচালক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, ঢাকা) ফোন: ০২-২২২২১৮২৫৯ মোঃ মহিউদ্দিন মজুমদার পরিচালক ফোন: ০২-২২২২১৮২৮১ নোটিশ রেফারেন্স দেখতে এইখানে ক্লিক করুন

বিস্তারিত